ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় তরিকুল ইসলাম তারেক ঝালকাঠি ছাত্রদলে নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশা: সভাপতি পদে প্রার্থী মোঃ তৌহিদ হোসেন ঝালকাঠিতে সড়ক দুর্ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর সাগর নিহত, আহত ১ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের ঈদ শুভেচ্ছা ঝালকাঠিতে ঠিকাদারকে হ’ত্যার হুম’কি! সদর থানায় জিডি. মানবিকতায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: ৬ নং ওয়ার্ডে ৫০০ অসহায় পরিবারের পাশে ফোরকান ঝালকাঠিতে কাউন্সিলর প্রার্থী হানিফ হাওলাদারের ঈদ উপহার বিতরণ। ঝালকাঠিতে সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার ইফতার মাহফিল ও ঈদ উপহার বিতরণ অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেনের দায়িত্ব গ্রহণ, ঝালকাঠি জেলা পরিষদে নতুন প্রত্যাশা ঝালকাঠিতে সংখ্যালঘু পরিবারকে হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
নোটিশ :
আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপডেট নিউজ থিমটি ক্রয় করতে আমাদের কল করুন 01732667364। আমাদের আরো নিউজ থিম দেখতে ভিজিট করুন www.themesbazar.com

“আড়ানীতে তুলার ব্যাপক চাষ'”

  • মো:গোলাম কিবরিয়া
  • আপডেট সময় ০৮:৩৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৭২ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী এলাকায় ধান, গম ও শাকসবজির পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনাময় ফসল হিসেবে তুলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে। স্বল্প জমিদতে তুলনামূলক কম খরচে বেশি লাভের সম্ভাবনা থাকায় দিন দিন তুলা চাষের প্রতি ঝুঁকছেন তারা।

এক সময় আড়ানী এলাকায় সীমিত পরিসরে তুলা চাষ হলেও অন্যান্য ফসলের আধিক্যের কারণে তা তেমন গুরুত্ব পায়নি। তবে বর্তমানে তুলার বাজারমূল্য ও ফলন সন্তোষজনক হওয়ায় নতুন করে এ চাষে ফিরছেন পুরোনো চাষিরা, পাশাপাশি যুক্ত হচ্ছেন নতুন কৃষকরাও।

স্থানীয় এক তুলা চাষি জানান, *“আমি অনেক বছর ধরেই তুলা চাষ করছি। এতে খরচ কম, পরিচর্যাও তুলনামূলক সহজ। বাজারে দাম ভালো পাওয়া যায় বলে এখন অনেক কৃষক আগ্রহী হচ্ছেন।”*

রাজশাহী জোনের আড়ানীর কটন ইউনিট অফিসার মো. হোসেন আলী বলেন, *“এই অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া তুলা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। আমরা দীর্ঘদিন ধরেই কৃষকদের তুলা চাষে উৎসাহ দিয়ে আসছি। এ চাষ সফল হলে আড়ানী এলাকায় বিকল্প ফসল হিসেবে তুলা চাষ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। তালিকাভুক্ত চাষিদের বিভিন্ন ধরনের সরকারি সহযোগিতাও দেওয়া হচ্ছে।”*

কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, তুলা চাষ সম্প্রসারিত হলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটবে। তবে কাঙ্ক্ষিত ফলন পেতে আধুনিক চাষ পদ্ধতি অনুসরণ ও নিয়মিত পরিচর্যার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

তুলা চাষ সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাঘা ও চারঘাট উপজেলায় বর্তমানে মোট ৩০০ জন তুলা চাষি রয়েছে। এর মধ্যে বাঘা উপজেলায় ২০০ জন এবং চারঘাটে ১০০ জন। চলতি মৌসুমে দুই উপজেলায় মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার মণ। এবার বাঘা ও চারঘাট মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৬শ বিঘা জমিতে তুলা চাষ হয়েছে, যার মধ্যে বাঘা উপজেলায় প্রায় ২০০ বিঘা জমিতে আবাদ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় তরিকুল ইসলাম তারেক

“আড়ানীতে তুলার ব্যাপক চাষ'”

আপডেট সময় ০৮:৩৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী এলাকায় ধান, গম ও শাকসবজির পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনাময় ফসল হিসেবে তুলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে। স্বল্প জমিদতে তুলনামূলক কম খরচে বেশি লাভের সম্ভাবনা থাকায় দিন দিন তুলা চাষের প্রতি ঝুঁকছেন তারা।

এক সময় আড়ানী এলাকায় সীমিত পরিসরে তুলা চাষ হলেও অন্যান্য ফসলের আধিক্যের কারণে তা তেমন গুরুত্ব পায়নি। তবে বর্তমানে তুলার বাজারমূল্য ও ফলন সন্তোষজনক হওয়ায় নতুন করে এ চাষে ফিরছেন পুরোনো চাষিরা, পাশাপাশি যুক্ত হচ্ছেন নতুন কৃষকরাও।

স্থানীয় এক তুলা চাষি জানান, *“আমি অনেক বছর ধরেই তুলা চাষ করছি। এতে খরচ কম, পরিচর্যাও তুলনামূলক সহজ। বাজারে দাম ভালো পাওয়া যায় বলে এখন অনেক কৃষক আগ্রহী হচ্ছেন।”*

রাজশাহী জোনের আড়ানীর কটন ইউনিট অফিসার মো. হোসেন আলী বলেন, *“এই অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া তুলা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। আমরা দীর্ঘদিন ধরেই কৃষকদের তুলা চাষে উৎসাহ দিয়ে আসছি। এ চাষ সফল হলে আড়ানী এলাকায় বিকল্প ফসল হিসেবে তুলা চাষ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। তালিকাভুক্ত চাষিদের বিভিন্ন ধরনের সরকারি সহযোগিতাও দেওয়া হচ্ছে।”*

কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, তুলা চাষ সম্প্রসারিত হলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটবে। তবে কাঙ্ক্ষিত ফলন পেতে আধুনিক চাষ পদ্ধতি অনুসরণ ও নিয়মিত পরিচর্যার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

তুলা চাষ সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাঘা ও চারঘাট উপজেলায় বর্তমানে মোট ৩০০ জন তুলা চাষি রয়েছে। এর মধ্যে বাঘা উপজেলায় ২০০ জন এবং চারঘাটে ১০০ জন। চলতি মৌসুমে দুই উপজেলায় মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার মণ। এবার বাঘা ও চারঘাট মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৬শ বিঘা জমিতে তুলা চাষ হয়েছে, যার মধ্যে বাঘা উপজেলায় প্রায় ২০০ বিঘা জমিতে আবাদ করা হয়েছে।